Space For Advertise
Space For Advertise

সর্বশেষ

যশোর, রবিবার, ০১-ফেব্রুয়ারি-২০১৫ || ১৯-মাঘ-১৪২১

শীর্ষ সংবাদ - প্রথম পাতা

মিরপুরে প্লাস্টিক কারখানায় আগুন: ১৩ মৃতদেহ উদ্ধার

01-02-2015 | লোকসমাজ ডেস্ক

রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বরে সনি সিনেমা হলের পেছনে নাসিম প্লাজায় আগুনে এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ওই মার্কেটে আগুন লাগে। সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রত্যক্ষদর্শী ফারুক জানান, তিনি কমপক্ষে ১৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে দেখেছেন।


তবে শাহআলী থানার ডিউটি অফিসার এসআই আনিস জানান, তারা ৮ জনের মরদেহ উদ্ধারের কথা তারা জানতে পেরেছেন। রাত সোয়া ৮টার দিকে ডিউটি অফিসার নাজমুল হাসান জানান, এ পর্যন্ত তারা ৯ জনের মৃতদেহ উদ্ধারের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছেন। একজন সেচ্ছাসেবী জানান, তিনি ভেতরে ১০ থেকে ১২ জনের মরদেহ দেখেছেন। এছাড়া দগ্ধ দু’জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৬টি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।


ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, তারা ৮ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করতে পেরেছেন। তবে ঠিক ওই সময়ই মৃতদেহবাহী একটি বক্স বের করা হয়। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হকও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চারতলা ভবনের ওই কারখানায় ৪৫-৬০ জন শ্রমকি কাজ করেন। বিকেলে নিচ তলায় রক্ষিত বয়লারে বিস্ফোরণ থেকেই আগুনের সূত্রপাত। আগুন ছড়িয়ে পড়ে পার্কিং এরিয়ায় রাখা একটি পিকআপ ভ্যানে আগুন লাগে। এসময় লোকজন পিকআপের আগুন নেভানোতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ওই ফাঁকে আগুন ভবনের অন্যান্য তলায় ছড়িয়ে পড়ে। পিকআপের আগুনেও অনেকে হতাহত হয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমেদ খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, তারা ৮টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছেন, আরো বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, প্রথমে ভবনে রাখা গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটে পরে বয়লার বিস্ফোরিত হয়। এরপর আগুন ফুড প্যাকেজিংয়ের মালামাল ও কেমিক্যালে ছড়িয়ে পড়ে। এ দুর্ঘটনার বিষয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস। আগামী তিন দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এদিকে আবাসিক এলাকায় এরকম দাহ্য পদার্থের কারখানা থাকায় পরিদর্শনে এসে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আসলামুল হক।


জানা যায়, সাধারণত কারখানা ছুটি হয় বিকেল ৫টায়। আগুন লেগেছে সাড়ে ৫টায়। এ কারণে অনেক শ্রমিক কাজ শেষে বের হয়ে গেছেন। তারপরও অনেকে ভেতরে ছিলেন। সিলিন্ডার বিস্ফোরণে প্রথম প্রাণ যায় মূল ফটকের দারোয়ানের। এদিকে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু ঘটনাস্থলে জানিয়েছেন, কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিচালক ইকবাল হোসেনকে প্রধান করে ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে আবাসিক এলাকায় রাসায়নিক কারখানা করার অনুমতি দেয়ায় রাজউকের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সকল সংবাদ - প্রথম পাতা

Space For Advertise
Space For Advertise
Space For Advertise
Space For Advertise
Space For Advertise
Space For Advertise